পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ের ৭০টি প্রশ্নোত্তর

১) পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখা – মেরু রেখা ।

২) দুই মেরু থেকে সমান দুরুত্বে পূর্ব-পশ্চিম পৃথিবীকে আবর্তনকারী রেখা – নিরক্ষরেখা ।

৩) পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী রেখা – দ্রাঘিমা রেখা ।

৪) লন্ডনের গ্রীনিচ মান মন্দিরের উরপ দিয়ে গমনকারী দ্রাঘিমা রেখা – মূল মধ্যরেখা ।

৫) মূল মধ্যরেখা হতে ১৮০০ পূর্বে বা পশ্চিমে অবস্থিত দ্রাঘিমা রেখা – আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ।

৬) নিরক্ষরেখা হতে উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত কোন বিন্দুর কৌণিক দূরত্ব হলো – অক্ষাংশ ।

৭) মূল মধ্যরেখা হতে পূর্ব বা পশ্চিমে অবস্থিত কোন বিন্দুর কৌণিক দূরুত্ব হলো – দ্রাঘিমাংশ

৮) ৯০০ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখাকে বলে – কর্কটক্রান্তি রেখা ।

৯) কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের কুমিল্লা, মাগুরা ও ঝিনাইদহের উপর দিয়ে গিয়েছে ।

১০) গ্রীনিচ সময় থেকে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা আগে ।

১১) ভূ-পৃষ্ঠে মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সবচেয়ে বেশী ।

১২) গ্যালিলও একটি – কৃত্রিম উপগ্রহ ।

১৩) ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে বলে – ছায়াবৃত্ত ।

১৪) সমুদ্র পৃষ্ঠের স্বাভাবিক চাপ – ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি ।

১৫) আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূ-মধ্যসাগরের মধ্যে অবস্থিত – জিব্রাল্টার প্রণালী ।

১৬) আকাশের উজ্জলতম নক্ষত্রের নাম – লুব্ধক ।

১৭) জোয়ার ভাটার তেজকটাল হয় – অমাবস্যায় ।

১৮) জোয়ার ভাটার মরাকাটাল হয় – পূর্ণিমায় ।

১৯) সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে – ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড ।

২০) বায়ুমন্ডের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি সর্বোচ্চ কত গভীরতা হতে লিফটের সাহায্যে তোলা যায়- ৩৪ ফুট বা ১০ মিটার ।

২১) ৮০% আদ্রতা বলতে বোঝায়- বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৮০% ।

২২) পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান – ১২ ঘন্টা ।

২৩) পর্বত চুড়ায় বায়ুর চাপ – কম ।

২৪) যে বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় – নিয়ত বায়ু ।

২৫/পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলেও আমরা ছিটকিয়ে পরি না – মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য ।

২৬) সূর্য-পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় – ৬০০০০ সেন্টিগ্রেড ।

২৭) দ্রূততম গ্রহ – বুধ ।

২৮) রাত ও দিনের উদ্ভব হয় – আহ্নিক গতির কারণে ।

২৯) দিন ও রাত সর্বত্র সমান হয় – নিরক্ষরেখায় ।

৩০) বস্তুর ওজন বেশী – পৃথিবীর কেন্দ্রে ।

৩১) আকাশ নীল দেখায় – নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশী বলে ।

৩২) পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ – মঙ্গল ।

৩৩) সূর্য্যের নিকটতম গ্রহ – বুধ ।

৩৪) পৃথিবী একটি অভিগত গোলক এর পরিধি – ২৫০০০ মাইল ।

৩৫) বায়ু মন্ডলে সর্বাধিক পাওয়া যায় – নাইট্রোজেন ।

৩৬) বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় – আয়নমন্ডলে ।

৩৭) সূর্য্য গ্রহণে চন্দ্র থাকে – পৃথিবী ও সূর্য্যের মাঝখানে ।

৩৮) চন্দ্র গ্রহণে পৃথিবী থাকে – সূর্য্য ও চন্দ্রের মাঝখানে ।

৩৯) দ্রাঘিমার পার্থক্য ১০ ডিগ্রী হলে সময়ের পার্থক্য হয় – ৪ মিনিট ।

৪০) পৃথিবী গোলাকার এই ধারণা দেন – পিথাগোরাস ।

৪১) সমুদ্র স্রোতের কারণ – বায়ু প্রবাহ, উষ্ণতা, গভীরতা ও পৃথিবীর আয়তন ।

৪২) চন্দ্র, সূর্য্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকলে – প্রবল জোয়ার হয় ।

৪৩) সূর্য্যের চারপাশে ঘুরে আসতে পৃথিবীব সময় লাগে – ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৭ মিনিট ।

৪৪) পৃথিবীর উষ্ণতম স্থান – আজিজিয়া (লিবিয়া) ।

৪৫) পৃথিবীর শীতলতম স্থান – ভোস্টক (রাশিয়া) ।

৪৬) সমুদ্রে জাহাজের অবস্থান নির্ণয় করা হয় – ক্রোনোমিটারের সাহায্যে ।

৪৭) ভূ-ত্বকের গভীরতা প্রায় – ১৬ কি.মি. ।

৪৮) মেরু রেখার উত্তর প্রন্তকে সুমেরু ও দক্ষিণ মেরুকে কুমেরু বলে ।

৪৯) পৃথিবীর সর্বোত্র দিন রাত সমান – ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর ।

৫০) প্রাথমিক শীলা – আগ্নেয়শীলা ।

৫১) মার্বেল গ্রাফাইট – রুপান্তরিত শীলা ।

৫২) বায়ুমন্ডলের গভীরতা – ১৬১০ কি.মি. ।

৫৩) মেরু অঞ্চলের পানি – শীতল ও ভারী ।

৫৪) নিরক্ষীয় অঞ্চলের পানি – উষ্ণ ও হালকা ।

৫৫) বায়ু মন্ডলের যে স্তরে মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা সীমাবদ্ধ থাকে – ট্রপোমন্ডল ।

৫৬) ভাসমান মেঘ থেকে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো যায় – শুস্ক বরফের গুরা ছিটিয়ে ।

৫৭) পৃথিবীর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত অঞ্চল – চেরাপুঞ্জি (ভারত) ।

৫৮) পৃথিবী থেকে চন্দ্রের দূরত্ব – ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কি.মি. ।

৫৯) সূর্য্য গঠনকারী গ্যাসীয় উপাদান – হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম ।

৬০) পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায় – উজ্জলতম গ্রহ শুক্র ।

৬১) মঙ্গলের পৃষ্ঠদেশ কঠিন । কার্বনের আধিক্যের কারণে মাটির রং লাল ।

৬২) মঙ্গলের দুটি গ্রহ – ফোবাস ও ডিমোস । এরা কাছ থেকে মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করে ।

৬৩) সূর্য্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দুরত্ব – ২২.৮ কোটি কি.মি. (গড়) ।

৬৪) পৃথিবী থেকে মঙ্গল গ্রহের দুরত্ব – ৭.৭ কোটি কি.মি. ।

৬৫) প্রথম পরিবেশ আন্দোলনের সূচনা করেন – ডেবিট থরো ।

৬৬) ‘গ্রীন পিচ’ পরিবেশ আন্দোলন গ্রুপ । এটির যাত্রা শুরু ১৯৮৫ সালে ।

৬৭) ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ।

৬৮) পৃথিবীর কোন নির্দিষ্ট অঞ্চলে বসবাসকারী জীবের সংখ্যাকে বলে – বায়োম্স ।

৬৯) জীববৈচিত্র সংরক্ষণ কনভেনশন (১৯৯২) স্বাক্ষর করে – ১৪০ টি দেশ ।

৭০) পলিথিন পোড়ালে উৎপন্ন হয় – হাইড্রোজেন সায়ানাইড ও ডাই-অক্সিজেন ।