উদ্ভিদ জগতের গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নোত্তরঃ পর্ব ১

১. Flora বলতে কি বুঝায়?

– উদ্ভিদকুলকে।

২. থ্রিওফ্রস্টাস উদ্ভিদকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করেন?

– চারটি। যথাঃ ক) বীরুৎ বা হার্ব খ) উপগুল্ম বা আন্ডারশ্রাব গ) গুল্ম বা শ্রাব ঘ) বৃক্ষ বা ট্রি

৩. বীরুৎ কি?

– নরম কাণ্ডযুক্ত উদ্ভিদকে বীরুৎ বা হার্ব বলে। যেমনঃ ধান, গম, সরিষা ইত্যাদি।

৪. আলু, বাদাম, পাট কি জাতীয় উদ্ভিদ?

– বীরুৎ।

৫. গুল্ম কি?

– যে সকল উদ্ভিদ কাষ্ঠল, বহুবর্ষজীবী, সাধারনত একক কাণ্ডবিহীন এবং গোড়া থেকে অধিক শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে ঝোপে পরিণত হয়, তাদের গুল্ম বা শ্রাব বলে। যেমনঃ জবা, গন্ধরাজ ইত্যাদি।

৬. শৈবালের বৈশিষ্ট্য লিখ।

– শৈবালের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ

ক) এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে।

খ) কোন পরিবহন টিস্যু নেই।

গ) এরা সুকেন্দ্রিক।

৭. শৈবালের উদাহরণ দাও।

– Spirogyra, Ulothrix.

৮. ক্লোরেলা কি?

– ক্লোরেলা এক প্রকার সবুজ এককোষী শৈবাল। এতে ১৭৭ প্রকার অ্যামাইনো এসিড থাকায় একে প্রোটিন খাদ্যের আদর্শ উৎস বলে। ক্লোরেলায় ভিটামিন A, B, C ও K বিদ্যমান। পানি শোধনসহ মহাকাশযান ও ডুবোজাহাজের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে এবং মহাকাশচারীদের খাদ্যের অভাব মেটাতে ক্লোরেলা ব্যবহৃত হয়।

৯. ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য লিখ।

– ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপঃ

ক) এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে।

খ) কোন পরিবহন টিস্যু নেই।

গ) এদের দেহে ক্লোরোফিল নেই। এরা পরভোজী বা মৃতজীবী হয়।

১০. ছত্রাকের উদাহরণ দাও।

১১. ঈস্ট কি?

১২. ব্যাঙের ছাতা কি?

১৩. লাইকেন কি?

১৪. অটোফাইট কি?

১৫. ছত্রাকের অর্থনৈতিক গুরুত্ব লিখ।

উপকারী দিকঃ

ক) পাউরুটির কারখানায় রুটি ফাঁপা করার কাজে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়।

খ) পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে Penicillium ব্যবহৃত হয়।

গ) Agaricus (মাশরুম) পৃথিবীর বহুদেশে সুপ্রিয় খাদ্য।

অপকারী দিকঃ

ধানের কাণ্ডপচা, ধানের পাতায় বাদামী রোগের জন্য ছত্রাক দায়ী।

১৬. মসবর্গীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লিখ।

– মসবর্গীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলঃ

ক) দেহকে কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।

খ) কোন পরিবহন টিস্যু নেই।

গ) মূল নেই। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড আছে।

ঘ) ফুল ও ফল হয় না।

১৭. মসবর্গীয় উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।

– Riccia, Bryum, Barbula.

১৮. ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লিখ।

– ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলঃ

ক) দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।

খ) দেহে পরিবহন টিস্যু আছে।

গ) ফুল ও ফল হয় না।

১৯. ফণিমনসা কি ধরনের উদ্ভিদ?

– ফার্ণবর্গীয়।

২০. পৃথিবীর প্রাচীনতম উদ্ভিদ কি?

– ফার্ণবর্গীয় উদ্ভিদ।

২১. নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লিখ।

– নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলঃ

ক) দেহ মূল, কাণ্ড, পাতায় বিভক্ত করা যায়।

খ) দেহে পরিবহন টিস্যু আছে।

গ) এদের ফুল হয় কিন্তু ফল হয় না কারণ ফুলের গর্ভাশয় থাকে না।

২২. নগ্নবীজী উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।

– Cycus, Pinus, Gnetum

২৩. আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লিখ।

– আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলঃ

ক) দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।

খ) দেহে পরিবহন টিস্যু আছে।

গ) এদের ফুল এবং ফল হয়।

২৪. আবৃতবীজী উদ্ভিদ কত প্রকার ও কি কি?

– দুই প্রকারঃ ক) একবীজপত্রী খ) দ্বিবীজপত্রী।

২৫. একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।

– ধান, গম, ইক্ষু, তাল, নারিকেল, সুপারি, খেজুর, ভূট্টা ইত্যাদি।

২৬. দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।

– পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদ দ্বিবীজপত্রী। যেমনঃ আম, জাম, কাঁঠাল, ছোলা, সীম, মটর ইত্যাদি।