আলোর প্রকৃতি

কোন আলোর প্রতিসরণ সবচেয়ে বেশি=== বেগুনি

**** কোন আলোর প্রতিসরণ সবচেয়ে কম=== লাল

**** কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ সবচেয়ে বেশি=== লাল

**** কোন আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ সবচেয়ে কম=== বেগুনি

**** কোন আলোর বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি === বেগুনি

**** কোন আলোর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম=== লাল

**** কোন বর্ণের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি === বেগুনি

**** কোন আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম=== =লাল

সিদ্ধান্ত : যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ কম তার প্রতিসরণ ও বিক্ষেপণ এবং বিচ্যুতি বেশি

*** সর্ববৃহৎ তরঙ্গ দৈর্ঘের বিকিরণ কোনটি=== বেতার তরঙ্গ

*** সবচেয়ে হ্মুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘের বিকিরণ কোনটি=== গামা রশ্মি

*** লাল আলোতে নীল রংঙের ফুল কেমন দেখায়===== কালো

*** লাল আলোতে সবুজ রংঙের ফুল কেমন দেখায়===== কালো

*** লাল আলোতে লাল রংঙের ফুল কেমন দেখায়=====লাল

*** নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল কেমন দেখায়===নীল

*** নীল কাচের মধ্য দিয়ে হলুদ ফুল কেমন দেখায়===কালো

****কোন রংঙের বস্তুর তাপ শোষন হ্মমতা বেশি===কালো

****কোন রংঙের বস্তুর তাপ শোষন হ্মমতা কম==সাদা

কেন হয় ?

১।পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ,আলোর…?

=প্রতিসরণ

২। আকাশ নীল দেখার কারণ কী ?

= নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি বলে

৩। সমুদ্রকে নীল দেখার কারণ

= আপাতিত সূর্যরশ্মির বিক্ষেপণ

৪।সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে লাল দেখায় কেন?

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় ভাসমান ধূলিকণা ও বাতাসের অন্যান্য উপাদান সূর্যরশ্মির নীল প্রান্তের কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট বর্ণকে বেশি বিক্ষিপ্ত করে ও লাল প্রান্তের বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট বর্ণকে কম বিক্ষিপ্ত করে। ফলে সূর্যকে লাল দেখায়।

৫। সড়কে বিপদ সংকেতে সবসময় লাল আলো ব্যবহার করা হয় কেন ?

= লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ বেশি বলে।

৬। প্রখর রোদে পিচ ঢালা রাস্তা পানি সিক্ত মনে হওয়ার কারণ

= আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন

৭। অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনা ঘটে ?

= আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন

দর্পণের ব্যবহার

—————

সমতল দর্পন

———–

১। সমতল দর্পণের সাহায্যে আমরা আমাদের চেহারা দেখি ।

২। চোখের ডাক্তারগন রোগীর দৃষ্টি শক্তি পরীক্ষা করার জন্য বর্ণমালা পাঠের সুবিধার্থে দর্পন ব্যবহার করে থাকেন ।

৩। সমতল দর্পণ ব্যবহার করে পেরিস্কোপ তৈরি করা যায় ।যার সাহায়ে ভীড়ের মধ্যে খেলা দেখা ,উঁচু দেয়ালের উপর দেখা, শত্রু সৈন্যের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজে পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয় ।

৪। পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে দুর্ঘটনা এড়াতে এটি ব্যবহার করা হয় ।

৫। বিভিন্ন আলোকীয় যন্ত্রপাতি যেমন-টেলিস্কোপ, ওভারহেড প্রজেক্টর, লেজার তৈরি করতে ।

৬। নাটক, চলচ্চিত্র ইত্যাদির সুটিং এর সময় সমতল দর্পন দিয়ে আলো প্রতিফলিত করে কোন স্থানের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করা হয় ।

অবতল দর্পন

——————-

১। রুপচর্চা ও দাঁড়ি কাঁটতে ব্যবহার করা ।

২। দন্ত চিকিত্সকগণ ব্যবহার করেন

৩। টর্চলাইট, স্টিমার বা লঞ্চের সার্চলাইটে প্রতিফলক হিসেবে।

৪। আলোক ও তাপশক্তি ইত্যাতি কেন্দ্রীভূত করে কোন বস্তুকে উত্তপ্ত করতে , রাড়ার এবং টিভি সংকেত সংগ্রহে ব্যবহৃত হয় । যেমন ডিশ এ্যান্টেনা , সৌরচুল্লি টেলিস্কোপ এবং বাড়ার সংগ্রাহক ইত্যাদিতে ।

৬। ডাক্তাররা চোখ, নাক, কান ও গলা পরীক্ষা করার জন্য ।

উত্তল দর্পন

———————-

১। পিছনের যানবহন বা পথচারী দেখার জন্য গাড়ীতে এবং বিয়ের সময় ভিউ মিরর হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।

২। বিস্তৃত এলাকা দেখা যায় বলে দোকান বা শপিংমলে নিরাপত্তার কাজে উত্তল দর্পন ব্যবহার করা হয় ।

৩।প্রতিফলক টেলিস্কোপ তৈরিতে এ দর্পন ব্যবহৃত হয় ।

৪। রাস্তার বাতিতে প্রতিফলক রুপে।

অবতল লেন্স

————–

১। সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে

২। চোখের হ্রস ত্রুটি দূর করতে ।

——–

উত্তল লেন্স:

———-

১ । চোখের দীর্ঘ ত্রুটি দূর করতে।

———-

টরিক লেন্স

————

নকুলন্ধা দূর করতে।

——————-

বাই ফোকাল লেন্স

———————-

১। চালশে ত্রুটি করতে।

————————————

মানুষের চোখের লেন্স >> দ্বি-উত্তল

————————————————–

লেন্সের ক্ষমতার একক >>> ডায়াপ্টার ।

——————————————

মানুষের স্পষ্ট দর্শনের দূরত্ব >> প্রায় ২৫সেমি।

—————————

দর্শানুভুৃতির স্থায়িত্বকাল >>> ০.১ সেকেন্ড।

——————————————————–

রড় কোষ ও কোণ কোষ কোথায় অবস্থিত >> রেটিনায় ।

————————————

কোথায় আলো পড়লে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি হয় ফলে মস্তিকে দর্শনের অনুভুতি জাগে >> রেটিনায়।

———————

অ্যাকুয়াস হিউমার >>>> কর্ণিয়া ও চক্ষু লেন্সের মাঝে অবস্থিত।

ভিট্রিয়াস হিউমার >>>>> রেটিনা ও চক্ষু লেন্সের মাঝে অবস্থিত।

এগুলো থেকেই অশ্রু ঝরে।

——————————

মৌলিক বর্ণ কয়টি ?

-৩টি। ( নীল,সবুজ ,লাল, ,) মনে রাখার টেকনিক > আসল < আ> আসমানী(নীল), স> সবুজ,,,, ল>>লাল

এই বর্ণগুলোকে মৌলিক বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলোর জন্য চোখের রেটিনার কোণ কোষে ৩টি আলাদা আলাদা সংবেদী কোণ কোষ আছে ।

———————

চোখের ত্রুটি প্রধানত দুই প্রকার । যথা

১.হ্রস দৃষ্টি ত্রুটি

২. দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি

————————-

আলোর প্রতিসরণের কিছু উল্লেখ কিছু ব্যবহার

————————————-

১।দেখার কাজে (চোখের দর্শন ক্রিয়া)

২। ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলা

৩। মাইক্রোস্কোপ দিয়ে অতিক্ষুদ্র জিনিস বড় করে দেখা , টেলিস্কোপের সাহায্য দূরের জিনিস কাছে দেখা ।

৪। স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ও টেলিকমিউনিকেশনে যে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা সেটাও প্রতিসরণের কারণে ।

৫। েএ্যাকুরিয়ামে মাছ দেখায়

৭। চোখের দৃষ্টি ত্রুটি করতে।

৮। গোধুলির কারণ

৯। পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা

১০। চাঁদ দিগন্ত রেখার কাছে অনেক বড় দেখা

পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলনের কিছু ঘটনা

—————————————

১। মরীচিকা

২। অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক সংকেত

৩। হীরক উজ্জল দেখা

——————-

বিক্ষেপণ কিছু ঘটনা

————–

১। আকাশ নীল দেখা

২। সমুদ্র নীল দেখা

—————————————

দর্পন প্রধানত দুই প্রকার । যথা

১. সমতল দর্পন

২।গোলীয় দর্পন আবার গোলীয় দর্পন দুই প্রকার

১. অবতল

২. উত্তল দর্পন

——————

দুটি গোলীয় পৃষ্ট দ্বারা সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে।

লেন্স দুই প্রকার । যথা

১. উত্তল লেন্স বা অভিসারী লেন্স

২. অবতল লেন্স বা অপসারী লেন্স।

—————————————

প্রতিবিম্ব দুই প্রকার । যথা

১. বাস্তব প্রতিবিম্ব

২. অবাস্তব প্রতিবিম্ব।

———————————–

নীল আলোর বিক্ষেপন বেশি ।

বেগুনি আলোর প্রতিসরণ বেশি

লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি।

বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম।

——————-

রংধনু সৃষ্টির সময় পানির কণাগুলো >>> প্রিজমের মতো কাজ করে।

ছয়টি পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যকে >> প্রিজম বলে

রংধনু সৃষ্টির কারণ >>> বৃষ্টির কণা

———————————————————————–

দিনের বেলায় গাছের পাতা সবুজ দেখায় কারণ

— পাতার ক্লোরোফিল সবুজ বাদে সকল বর্ণকে শোষণ করে।

একটি লাল ফুলকে সবুজ আলোতে রাখলে কেমন দেখাবে ?

– কালো

সবুজ আলোতে একটি হলুদ ফুলকে কেমন দেখাবে ?

– কালো ।

শহরের রাস্তাায় ট্রাফিক লাইটে যে ক্রম অনুসারে আলো জ্বলে

— লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল

——————————-

ফটোগ্রাফিক প্লেটে কিসের আবরণ আছে?

– সিলভার ব্রোমাইড বা সিলভার আয়োডাইড ।

আয়নার পেছনে কিসের প্রলেপ দেয়া হয়

– সিলভার

——————

বায়ুমণ্ডলের যে স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়

— আয়ানোষ্ফিয়ার।

====================

। কোন তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ তৈরি হয় / মুখ্য বর্ণ কোনগুলো / মৌলিক বর্ণ কোনগুলো ?

= লাল , নীল , সবুজ

। পশ্চিমাকাশে রংধনু দেখা যায় কোন সময়?

উঃ সকালে

। যে মসৃন তলে আলোর নিয়মিতপ্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে?

উঃ দর্পন

পাহাড়ি রাস্তার বিপজ্জনক বাঁকে কত ডিগ্রি কোণে সমতল দর্পণ বসানো হয়?

=৪৫ ডিগ্রি

হীরকের সংকট কোণ কত ?

=২৪ ডিগ্রি

সাদা আলো যে ৭টি বর্ণের আলোর সমষ্টি / আলোর বর্ণালি কে আবিষ্কার করেন ?

= নিউটন